শুরুর গল্প
রফিক ভাই সোনারগাঁওয়ে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ক্রিকেট তাঁর ছোটবেলার প্রেম। BPL সিজনে প্রতিটা ম্যাচ ফলো করতেন, দলের পারফরম্যান্স নিয়ে বন্ধুদের সাথে আলোচনা করতেন। একদিন এক বন্ধুর কাছে k7777ai-এর কথা শুনলেন।
প্রথমে সন্দিহান ছিলেন। অনলাইনে অনেক ফাঁদ থাকে — এটা জানতেন। কিন্তু Mobile Pay দিয়ে ডিপোজিট করার সুবিধা আর বাংলা ইন্টারফেস দেখে আগ্রহ জন্মাল। প্রথমে মাত্র ৳৫০০ দিয়ে শুরু করলেন, শুধু বুঝতে যে জিনিসটা কীভাবে কাজ করে।
প্রথম তিন মাস: শেখার পর্যায়
প্রথম মাসে রফিক ভাই বড় বেট দেননি। ছোট ছোট বেট দিয়ে বুঝতে চাইলেন কোন মার্কেটে তাঁর বিশ্লেষণ কাজ করে। ম্যাচ উইনার মার্কেটে তিনি ভালো ছিলেন, কিন্তু টোটাল রান মার্কেটে বারবার হোঁচট খেলেন।
দ্বিতীয় মাসে সিদ্ধান্ত নিলেন শুধু ম্যাচ উইনার ও টপ ব্যাটারে মনোযোগ দেবেন। k7777ai-এর লাইভ স্ট্যাটস দেখে উইকেট পড়ার পর অডস পরিবর্তনের সময় বেট করতেন। এই কৌশলে দ্বিতীয় মাসে প্রথমবার লাভে এলেন।
রফিক ভাইয়ের নিজের কথা: "আমি হিসাব করতাম। বেটিং ডায়েরি রাখতাম — কোন ম্যাচে কত বেট দিলাম, কেন দিলাম, ফলাফল কী হলো। তিন মাস পর দেখলাম একটা প্যাটার্ন বেরিয়ে আসছে। সেই প্যাটার্ন ধরেই এগিয়ে গেলাম।"
চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ মাস: কৌশলের পূর্ণতা
তৃতীয় মাসের শেষে রফিক ভাই বাজেট বাড়িয়ে ৳১০,০০০ করলেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২০% মানে ৳২,০০০-এর বেশি কখনো এক সপ্তাহে বেট করতেন না। k7777ai-এর Cash Out ফিচার তাঁর খুব কাজে আসত — ম্যাচ মাঝপথে প্রতিকূল হলেই অর্ধেক Cash Out করে নিতেন।
পঞ্চম মাসে IPL শুরু হলো। রফিক ভাই দেখলেন k7777ai-তে IPL-এ অডস অন্য জায়গার চেয়ে বেশি। বিশেষ করে আন্ডারডগ দলের জন্য অডস অনেক সময় ৩–৪x থাকে। দুটো সফল আন্ডারডগ বেট তাঁর মোট লাভকে অনেকটা বাড়িয়ে দিল।
ফলাফল ও শিক্ষা
ছয় মাস শেষে রফিক ভাইয়ের মোট রিটার্ন দাঁড়াল ১২৮%। মানে ১০,০০০ টাকা বিনিয়োগে তিনি পেলেন ২২,৮০০ টাকা। কিন্তু তাঁর কাছে এর চেয়েও বড় অর্জন ছিল — তিনি বুঝলেন কীভাবে ডেটা দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
রফিক ভাই বলেন, k7777ai-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বাংলায় সব কিছু বোঝা যায় এবং সাপোর্ট টিম সহজেই সাহায্য করে। কোনো সমস্যা হলে চ্যাটে বাংলায় জিজ্ঞেস করলেই সমাধান মিলে।